fbpx

রহস্যময় আযান ফুল, আজান দিলে ফুটে আবার আযান শেষে গুঁটিয়ে যায়

আফ্রিকার জঙ্গলে মানুষ খেকো গাছের অভাব নাই। আবার বাংলাদেশের গ্রামে লজ্জাবতী গুল্ম দেখা যায়।

মানুষ কিংবা অন্য প্রাণীর স্পর্শ পেলে সংকোচিত হয়। গাছপালার হেন অলৌকিক ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। রহস্যময় এই পৃথিবীতে অলৌকিকতার হিসাব অনেক বড়।

অনেক অলৌকিক ঘটনা আমাদের চোখের সামনে ঘটে যাচ্ছে আমরা তা অনুধাবন করতে পারি না।

আযানের সুমধুর আওয়াজে এক প্রকার ফুল ফোটে, আযান শেষ হওয়ার সাথে সাথেই আবার বন্ধ হয়ে যায়। এটাকে কি বলবেন অলৌকিকতা না বাস্তবতা।

আযান শুনলেই আযানের আহবানে সাড়া দিয়ে ফোটে, আবার আযান শেষ হলেই বন্ধ হয়ে যায়। এই ফুল নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে।

আযানের মতো সুর করে অন্য কোনো কিছু গাওয়া হলে ফুল ফুটছে না। যতবার-ই আযানের শব্দ ওখানে পৌঁছাচ্ছে ততোবার ফুল ফুটছে। বিজ্ঞানসম্মত সকল গবেষনার পর ফল একটা-ই পাওয়া গেছে ।

প্রকৃতির অনেক অদ্ভুত আচরণ আছে। যার বৈজ্ঞানিক তেমন কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না।

আর প্রকৃতির আচরণ যদি ধর্মীয় কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে তবে বলতেই হয়, সৃষ্টিকর্তার কী অপার মহিমা! তেমনই একটি ফুল হচ্ছে আযান ফুল। আযানের ধ্বনিতে ফোটে এই ফুল।

সিএনএন’র রিপোর্ট বলা হয়েছে, আজারবাইজানের এক মুসলিম গ্রামে মোহাম্মদ রহিমের বাগানে এক ধরনের ফুল রয়েছে, যা আযানের ধ্বনিতে ফোটে। এই ফুল প্রতি পাঁচ ওয়াক্তে আযানের ধ্বনিতে ফোটে। আযানের পর আবার বন্ধ হয়ে যায়।

আযানের প্রতিটি বাণীর ছন্দে ফুলগুলো প্রস্ফুটিত হয়। ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব এবং এশা প্রত্যেক ওয়াক্তে আযানের বাণী যেন ফুলগুলোকে জাগ্রত করে ইবাদতের জন্য।

আর তাই ফুলটির নাম দেওয়া হয়েছে আযান ফুল। পৃথিবীর হয়তো বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে এই বিরল প্রজাতির আযান ফুল।

মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্ট ১টি মৌলিক উপাদান কেউই তৈরি করতে পারবে না অনেকে বিজ্ঞানের বড়াই করে অথচ বিজ্ঞান এখনো সুতিকা ঘরের সিজন পার করে নাই।

হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মস্ত এক পাথরের অংশ শুধু মুখের কথায় শূন্যে ঝুলিয়ে রেখেছেন।

কি ব্যাখ্যা দিবে বিজ্ঞান। পৃথিবীতে জ্ঞানের ভান্ডার মাত্র ১টি আল কুরআন শরীফ। পবিত্র হাদীছ শরীফ বিষয়টি সহজ বোধগম্য করেছেন মাত্র।

ফেসবুকে লাইক দিন